যদি জোর করে কেও আপনার সম্পত্তি দখল করে, জানুন আপনার করনীয় কী - সূর্য উদয়


যদি জোর করে কেও আপনার সম্পত্তি দখল করে, জানুন আপনার করনীয় কী

0

সম্পত্তি দখল – যদি জোর করে কেও আপনার সম্পত্তি দখল করে, জানুন আপনার করনীয় কী – প্রতিনিয়ত জমি, বাড়ী, ফ্ল্যাট হতে কেউ না কেউ দখলচ্যূত হচ্ছেন। প্রভাবশালী ব্যক্তিরা প্রায়ই অন্য লোকজনের স্থাবর সম্পত্তি জোর পূর্বক বা চাতুরী পন্থায় দখল করে।

সম্পত্তি বেদখল বলতে বোঝায় প্রকৃত মালিককে তার মালিকানা থেকে জোর করে উচ্ছেদ করে অবৈধভাবে সেখানে তার স্বত্তা ও দখল প্রতিষ্ঠিত করা।

অনেকে দখলচ্যূত হলে থানায় মামলা করতে চাই। পুলিশ কে দিয়ে দখল পুনরুদ্বার করতে চায়। কিন্তু অনেকেই জানেন না বেদখল হলে তার করনীয় কি? ব্যক্তি কর্তৃক স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হলে দখল পুনরুদ্বারের জন্য যে সমস্ত প্রতিকার আছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো-

ফৌজদারী আদালতে মামলা:-

কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে বেদখল করার চেষ্টা হতে বিরত করার জন্য বা সম্পত্তিতে ঐ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করার আদেশ প্রদানের জন্য অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান অনুসারে মামলা করতে পারবেন।

এ ধরণের মামলা অল্প সময়ের মধ্যেই নিস্পত্তি হয়ে থাকে। তবে মামলা করার পূর্বে থানায় ঘটনার বিষয়ে একটি জিডি করতে পারেন।

দেওয়ানী আদালতে মামলা:- যিনি স্থাবর সম্পত্তি হতে বেদখল হয়েছেন তাকে বেদখল হওয়ার তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে দখল পুনরুদ্বারের দাবিতে ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ঌ ধারার বিধান মোতাবেক দেওয়ানী আদালতে মামলা করে দখল পুনরুদ্বার করা যায়।

বাদি যদি সম্পত্তিতে নিজের স্বত্ব (মালিকানা) প্রমাণে সমর্থ নাও হন কেবল বেদখল হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দখলে ছিল প্রমাণ করতে পারেন তবেই তিনি তার পক্ষে ডিক্রী পেতে পারেন।

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মতে প্রদত্ত ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ করার কোন বিধান নেই। তবে মহামান্য হাইকোর্টে রিভিশন করা যাবে। কিন্ত সরকার কর্তৃক বেদখল হলে এ আইনে কোন প্রতিকার পাওয়া যাবে না।

আবার ৬ মাস অতিবাহিত হয়ে গেলে মামলা তামাদি দোষে বারিত হবে। তবে তামাদি আইনে দখল চুত্যির ১২ বছরের মধ্যে মোকদ্দমা করা যায়।

সম্পত্তি বেদখল সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে আরও বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন নিচের আলোচনা থেকে ।

সম্পত্তি বেদখল কি:

সম্পত্তি বেদখল বলতে বোঝায় প্রকৃত মালিককে তার মালিকানা থেকে জোর করে উচ্ছেদ করে অবৈধভাবে সেখানে তার স্বত্তা প্রতিষ্ঠিত করা ৷

সম্পত্তি বেদখল কিভাবে হয়: জমি জমা ভোগ দখলে রাখার আশা মানুষের চিরকালের ৷ তাই জমির দখল নিয়ে সব সময়ই সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে ৷ অসাধু দাঙ্গাটে প্রকৃতির লোকেরা প্রায়ই লোকজনকে জোরপুর্বক বা চাতুরী পন্থায় ভুমি বেদখল করছে ৷

কোথায় যেতে হবে:

ভুমি হতে বেদখল হলে দখল পুনরুদ্বারের জন্য যে সমস্ত প্রতিকার আছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো:

১) সালিশের মাধ্যমে

২) আদালতে মামলা করার মাধ্যমে

সালিশের মাধ্যমে: কোন ব্যক্তির জমি বেদখল হলে তার গ্রামের স্থানীয় লোকদের নেতৃত্বে সালিশের মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তি তার জমি ফেরত পেতে পারেন ৷ সালিশে মীমাংসার মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে সমাধান করা হয়ে থাকে ৷

ফৌজদারী আদালতে মামলা

কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি হতে বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে তিনি উক্ত ব্যক্তিকে বেদখল করার চেষ্টা হতে বিরত করার জন্য বা সম্পত্তিতে ঐ ব্যক্তির প্রবেশ বারিত করে আদেশ প্রদানের জন্য ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এর আদালতে ফৌজদারী কায্যবিধির ১৪৪ অথবা ১৪৫ ধারার বিধান অনুসারে মামলা করতে পারবেন ৷ এ ধরনের মামলা অল্প সময়ের মধ্যেই নিস্পত্তি হয়ে থাকে ৷ফৌজদারী কায্যবিধির ১৪৪ এবং ১৪৫ ধারাসমূহ নীচে দেওয়া হলো:

ফৌজদারী কায্যবিধি ১৮৯৮: উত্‍পাত বা আশংকিত বিপদের জরুরী ক্ষেত্রে অস্থায়ী আদেশ

ধারা ১৪৪ । উত্‍পাত বা আশংকিত বিপদের ক্ষেত্রে তত্‍ক্ষণাত্‍ সম্পূর্ণ আদেশ জারীর ক্ষমতা (Power to issue order absolute at once in urgent cases of nuisance or apprehended dayer): (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, অথবা এই ধারার অধীন কাজ করিবার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজি্ষ্ট্রেট নহেন ) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হইবার মত যথেষ্ঠ কারণ রহিয়াছে এবং আশু নিবারন বা দ্রুত প্রতিকার বান্ছনীয়,

সেই সকল ক্ষেত্রে এইরুপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয়বস্ত বর্ণনা করিয়া এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করিয়া যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তাহার দখলে কিংবা তাহার ব্যবস্থাধীনে লইবার নির্দেশ দিতে পারিবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তাহার নির্দেশে আইনসংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরুক্তি বা ক্ষতি অথবা বাধা,বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করিবে ।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যাহার উপর আদেশ দেওয়া হইতেছে সময় মত তাহার নোটিশ জারী করিবার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাইবে ।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হইতে পারিবে

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বত:প্রবৃত্ত হইয়া বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই ধারানুসারে তাহার নিজের বা তাহার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তাহার পূববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করিতে পারিবেন ।

(৫)এইরুপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তাহার নিকট হাজির হইবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরুপে বা আংশিক বাতিল করেন, তাহা হইলে তিনি লিখিতভাবে এইরুপ করিবার কারণ লিপিবদ্ধ করিবেন ।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরুপ নির্দেশ না দিলে এই ধারা অনুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবত্‍ থাকিবেনা ।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হইবে না ।

আলোচনা ও প্রয়োগ: ১৪৪ ধারায় থানা নিবাহী কর্মকর্তা ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন । তবে তিনি কোন মামলার বিচার করতে পারবেন না ।

থানা ম্যাজিষ্ট্রেট একজন সাবর্ক্ষণিক ম্যাজিষ্ট্রেট হবেন এবং তিনি থানা নিবার্হী কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে প্রয়োজন হওয়া ছাড়া ১৪৪ ধারায় ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন না। ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারায় আদেশ দেয়ার কোন ক্ষমতা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের নেই। মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে ও ১৪৪ ধারায় একই ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ।

কেবলমাত্র অতীব জরুরী অবস্থায় সাময়িক আদেশ দেওয়ায়ই এই ধারার লক্ষ্য । অন্যের বৈধ অধিকারে যারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে তাদের বিরুদ্ধে এই ধারা প্রয়োগ করা হয় ।অবস্থা মোকাবেলা করতে তার উপর ন্যস্ত অন্যান্য ক্ষমতা যখন পযার্প্ত নয় বলে ম্যাজিষ্ট্রেট সন্তুষ্ট হবেন কেবল তখনই তিনি এই ধারায় প্রদত্ত অসাধারণ ক্ষমতার আশ্রয় নেবেন । জরুরী অবস্থা হঠাত্‍ হতে হবে এবং পরিণতি/ফল পযার্প্তভাবে মারাত্নক হবে ।

তবে মনে রাখতে হবে যে, দেওয়ানী মামলাই উপযুক্ত হলে এই ধারায় আশ্রয় নেয়া যাবে না ।

ম্যাজিষ্ট্রেট এমন কোন আদেশ দিতে পারেন না যা মূলত দেওয়ানী আদালতের আদেশে হস্তক্ষেপ করে । ১৪৪ ধারায় নিম্নোক্ত অবস্থায় আদেশ দেয়া যেতে পারে: (ক) অতীব জরুরী অবস্থায়;(খ) তার উপর অর্পিত অন্যান্য ক্ষমতার ব্যবহার কাযর্কর হবে না মর্মে ম্যাজিষ্ট্রেট সন্তুষ্ট হলে।

এমনকি জরুরী অবস্থার ক্ষেত্রেও যে ব্যক্তি বা বস্তুর বিরুদ্ধে অন্যায় করা হয়েছে তাদের চেয়ে বরং অন্যায়কারীর বিরুদ্ধে আদেশ দিতে হয় । এই ধারায় আদেশ থানা নিবার্হী কমর্কতার্র দ্বারা অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট দিতে পারবেন ।

টি.এন.ও এর অনুপস্থিতিতে কায করার প্রয়োজন হওয়া ছাড়া এভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নয় এমন শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই ধারায় কোন আদেশ দিতে পারেন না । এই ধারা আনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ বিচারিক,প্রশাসনিক নয় ।

আদেশের প্রকৃতি ও বিষয়বস্ত হচ্ছে -(১) এটা লিখিত হবে; (২) এটা চূড়ান্ত ও নির্দিষ্ট হবে; (৩)ম্যাজিষ্ট্রেট যে গুরত্বপূর্ণ ঘটনাকে বিষয়টির ঘটনাবলী মনে করেন এবং যে ঘটনার উপর ভিত্তি করে তিনি আদেশ দেন ঐ ঘটনার একটি বিবৃতি আদেশে থাকতে হবে; (৪) আদেশটি নির্দিষ্ট হতে হবে; (৫) যে বিশেষ কাযের জন্য বিপদের আশংকা করা হয় আদেশটি ঐ কাযের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে; (৬) আদেশটির মেয়াদকাল জরুরী অবস্থার মেয়াদকালের সমান হবে; (৭)উপধারা (১) অনুযায়ী আদেশটি সাধারনভাবে জনসাধারনের ক্ষেত্রে দেয়া না হলে যাদের বিরুদ্ধে আদেশটি দেয়া হয় তাদেরকে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে; (৮) যে আদেশ অনুযায়ী নোটিশ দেয়া হয় ঐ আদেশের শতাবর্লী নোটিশের শতাবর্লী অনুসরণ করবে ।

যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের দখল নেই, কোন বিরোধ নেই, কিন্তু যেক্ষেত্রে ভূমির দখল সম্পর্কে বিরোধ আছে এবং প্রকৃত দখলের বিষয়টি ১৪৫ ধারা অনুযায়ী কাযর্ধারার সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হতে হবে কেবলমাত্র সেক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা প্রযোজ্য ।

স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বিরোধ:

ধারা ১৪৫ ।জমি, ইত্যাদি সম্পর্কিত বিরোধের ফলে শান্তি ভঙ্গের আশংকা থাকিলে পদ্ধতি (Procedure where dispute concerning and,etc, is likely to cause breach of peace): (১) যখন কোন মেট্রৌপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তষ্ট হন যে, তাহার এখতিয়ারের স্স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা উহার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রহিয়াছে, যাহা শান্তিভঙ্গ ঘটাইতে পারে, তখন তিনি তাহার এইরুপ সন্তষ্ট হইবার কারণ উল্লেখ করিয়া তাহার দ্বারা নিধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে সশরীরে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তাহার আদালতে হাজির হইবার এবং বিরোধের বিষয়বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাহাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করিবার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন ।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ”জমি বা পানি” বলিতে দালান, বাজার, মত্‍স্য খামার, ফসল ভূমির আন্যান্য উত্‍পাদিত দ্রব্য বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফা ও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এইরুপ ব্যক্তি বা ব্যক্তিগনের উপর আদেশের একটি কপি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করিতে হইবে এবং অন্তত:পক্ষে একটি কপি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয়বস্তর নিকটে লটকাইয়া প্রকাশ করিতে হইবে ।

(৪) দখল সম্পর্কে অনুসন্ধান: অত:পর ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধের বিষয়বস্তুতে উক্তপক্ষসমূহের কাহার ও দখলের অধিকার গুণাগুণের বা দাবী প্রসঙ্গে না যাইয়া, পেশকৃত বিবৃতিসমূহ পাঠ করিবেন, পক্ষসমূহের বক্তব্য শ্রবণ করিবেন, তাহারা নিজ নিজ তরফে যে সাক্ষ্য হাজির করেন তাহা গ্রহণ করিবেন, এইরুপ সাক্ষ্যে ফলাফল বিবেচনা করিবেন, তিনি প্রয়োজন মনে করিলে অধিকতর সাক্ষ্য (যদি থাকে) গ্রহণ করিবেন এবং সম্ভব হইলে আদেশের তারিখে কোন পক্ষ উক্ত বিষয়বস্তর দখলে ছিলেন কিনা এবং কোন পক্ষ দখলে ছিলেন তাহা স্থির করিবেন :

 

 

Share.

Leave A Reply

Translate »